Template: 2
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
লিংক channeljaintanews24.com ক্যাটাগরি মৌলভীবাজার রিপোর্ট চ্যানেল জৈন্তা নিউজ

প্রাক্তন স্বামীকে ফাঁসাতে ঘুষের চেষ্টা, কুলাউড়ায় নারীসহ দুজন কারাগারে

০১ মে ২০২৬ • ১১:৩৮ অপরাহ্ন

কুলাউড়া প্রতিনিধি।  মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সাবেক স্বামীকে ফাঁসাতে পুলিশ সুপারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন এক নারী। এ ঘটনায় ওই নারী ও তার সহযোগীকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ। শুক্রবার (১ মে) তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আতিকুর রহমান চৌধুরীর ছেলে মইনুল ইসলাম চৌধুরী সামাদ, তিনি স্থানীয় চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী; অপরজন একই ইউনিয়নের আব্দুলপুর গ্রামের মৃত তাহির আলীর মেয়ে জেসমিন আক্তার।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়ার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহতাব মিয়ার সঙ্গে তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রী জেসমিন আক্তারের পারিবারিক বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। সাবেক স্বামীকে হয়রানির উদ্দেশ্যে এর আগেও জেসমিন আক্তার বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন বলে জানায় পুলিশ।


বর্তমানে মাহতাব মিয়ার বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে বৃহস্পতিবার দুপুরে নগদ দুই লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসায়ী সামাদ চৌধুরীকে সঙ্গে করে কুলাউড়া থানায় আসেন জেসমিন আক্তার। ওই সময় থানায় সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানের দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) মো. আজমল হোসেন এবং কুলাউড়া থানার ওসি মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা।


পরে জেসমিন আক্তার তার সাবেক স্বামীর বিদেশ যাওয়া বন্ধের বিষয়ে পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করেন। একপর্যায়ে সামাদ চৌধুরী কৌশলে জেসমিনের কাছ থেকে নেওয়া দুই লাখ টাকার মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা সরিয়ে রেখে ৪০ হাজার টাকা খামের ভেতরে পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়ার চেষ্টা করেন।


এ সময় খাম খুলে টাকার বান্ডিল দেখতে পেয়ে পুলিশ সুপার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আটক করার নির্দেশ দেন। পরে জেসমিন ও সামাদকে টাকাসহ আটক করা হয়।


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, “এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সামাদ ও জেসমিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। শুক্রবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”


মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, “জেসমিন আক্তার কয়েকদিন ধরে মোবাইল ফোনে আমার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছিলেন। পরে তাকে কুলাউড়া থানায় আসতে বলা হয়। সেখানে সামাদ নামে এক ব্যক্তি আমার হাতে একটি খাম দিলে সেটি খুলে টাকার বান্ডিল দেখতে পাই। সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

বিজ্ঞাপন channeljaintanews24.com