সিলেটের বিশিষ্ট নৃত্য সংগঠন নৃত্যশৈলী-এর ২০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত ‘নবীন প্রাণের বসন্তে ও শেষ বিকেলের রঙ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী উৎসবের সমাপ্তি হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উৎসবের দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনে সকালে নগরীর রিকাবীবাজার, সিলেটস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়াম, সিলেট-এর সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পুনরায় অডিটোরিয়ামের সামনে এসে শেষ হয়।
সন্ধ্যায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নৃত্য শুধু আনন্দ প্রকাশ নয়; এটি প্রতিবাদ, আবেগ ও সামাজিক যোগাযোগের শক্তিশালী মাধ্যম। বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে শুদ্ধ নৃত্যচর্চার বিকাশের ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নৃত্যশৈলী-এর ধারাবাহিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে সংগঠনটির আরও অগ্রগতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নৃত্যশৈলীর পরিচালক নালাঞ্জনা যুঁই। সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী সুকান্ত গুপ্ত ও অর্চিতা ভট্টাচার্য।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেয় বিভিন্ন নৃত্য সংগঠন ও শিল্পীগোষ্ঠী। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন হিমাংশু বিশ্বাস ও সূর্যলাল দা।
দুই দশকের পথচলায় শুদ্ধ নৃত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে অবদান তুলে ধরে উৎসবটি শেষ হয় এক মিলনমেলায় পরিণত হয়ে।
সিলেটের বিশিষ্ট নৃত্য সংগঠন নৃত্যশৈলী-এর ২০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত ‘নবীন প্রাণের বসন্তে ও শেষ বিকেলের রঙ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী উৎসবের সমাপ্তি হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উৎসবের দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনে সকালে নগরীর রিকাবীবাজার, সিলেটস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়াম, সিলেট-এর সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পুনরায় অডিটোরিয়ামের সামনে এসে শেষ হয়।
সন্ধ্যায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নৃত্য শুধু আনন্দ প্রকাশ নয়; এটি প্রতিবাদ, আবেগ ও সামাজিক যোগাযোগের শক্তিশালী মাধ্যম। বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে শুদ্ধ নৃত্যচর্চার বিকাশের ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নৃত্যশৈলী-এর ধারাবাহিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে সংগঠনটির আরও অগ্রগতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নৃত্যশৈলীর পরিচালক নালাঞ্জনা যুঁই। সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী সুকান্ত গুপ্ত ও অর্চিতা ভট্টাচার্য।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেয় বিভিন্ন নৃত্য সংগঠন ও শিল্পীগোষ্ঠী। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন হিমাংশু বিশ্বাস ও সূর্যলাল দা।
দুই দশকের পথচলায় শুদ্ধ নৃত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে অবদান তুলে ধরে উৎসবটি শেষ হয় এক মিলনমেলায় পরিণত হয়ে।