সিলেট, ১০ এপ্রিল ২০২৬:
দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘ছিলটি লোক উৎসব-২০২৬’। স্থানীয় ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে এ উৎসবের আয়োজন করে ‘হাছনরাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ’।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সিলেটের ঐতিহ্যবাহী প্রাঙ্গণ—আলী আমজাদের ঘড়ি, কীনব্রীজ চাঁদনীঘাট ও সারদা হল এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় এই উৎসব। দিনভর চলে লোকগান, দামাইল, কবিতা, ছড়া, পুঁথি পাঠ ও নাটকসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে অংশ নেন সিলেটের স্থানীয় শিল্পীরা।
সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মিফতাহ-সিদ্দিকী, মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব) ও রায়হান হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. সোলেমান হোসেন চুন্নু।
বক্তারা বলেন, হাজার বছরের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ সিলেটের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে, যা মরমী কবি ও বাউল সাধকদের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছে। তবে বিশ্বায়নের প্রভাবে এই লোকঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শেকড়ের সংস্কৃতিকে জীবিত রাখা জরুরি।
তারা আরও বলেন, ছিলটির ভাষা, সুর, আচার-অনুষ্ঠান, বিয়ের গান, পুঁথি ও খাদ্যসংস্কৃতিতে এক অনন্য বৈচিত্র্য রয়েছে, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত লোক উৎসব আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন এম কামরুল চৌধুরী, এ কে এম কামরুজ্জামান মাসুম, জান্নাতুল নাজনীন আশা ও ফয়সল আহমদ। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।
উৎসবে ছিলটি লোকঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ছয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন ড. সৈয়দ রাগীব আলী, ড. মমিনুল হক, মোস্তফা সেলিম, গোলজার আহমদ, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী ও আয়াজ বাঙালি।
এছাড়া, উৎসব সফল করতে সহযোগিতা করায় সিলেট জেলা ও মহানগর জাসাস নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানানো হয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে।
সিলেট, ১০ এপ্রিল ২০২৬:
দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘ছিলটি লোক উৎসব-২০২৬’। স্থানীয় ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে এ উৎসবের আয়োজন করে ‘হাছনরাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ’।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সিলেটের ঐতিহ্যবাহী প্রাঙ্গণ—আলী আমজাদের ঘড়ি, কীনব্রীজ চাঁদনীঘাট ও সারদা হল এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় এই উৎসব। দিনভর চলে লোকগান, দামাইল, কবিতা, ছড়া, পুঁথি পাঠ ও নাটকসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে অংশ নেন সিলেটের স্থানীয় শিল্পীরা।
সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মিফতাহ-সিদ্দিকী, মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব) ও রায়হান হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. সোলেমান হোসেন চুন্নু।
বক্তারা বলেন, হাজার বছরের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ সিলেটের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে, যা মরমী কবি ও বাউল সাধকদের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছে। তবে বিশ্বায়নের প্রভাবে এই লোকঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শেকড়ের সংস্কৃতিকে জীবিত রাখা জরুরি।
তারা আরও বলেন, ছিলটির ভাষা, সুর, আচার-অনুষ্ঠান, বিয়ের গান, পুঁথি ও খাদ্যসংস্কৃতিতে এক অনন্য বৈচিত্র্য রয়েছে, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত লোক উৎসব আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন এম কামরুল চৌধুরী, এ কে এম কামরুজ্জামান মাসুম, জান্নাতুল নাজনীন আশা ও ফয়সল আহমদ। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।
উৎসবে ছিলটি লোকঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ছয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন ড. সৈয়দ রাগীব আলী, ড. মমিনুল হক, মোস্তফা সেলিম, গোলজার আহমদ, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী ও আয়াজ বাঙালি।
এছাড়া, উৎসব সফল করতে সহযোগিতা করায় সিলেট জেলা ও মহানগর জাসাস নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানানো হয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে।