ঢাকা ২ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. | বৃহস্পতিবার
দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দেশব্যাপী ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনব্যাপী পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ৩ কোটি মিটারের বেশি নিষিদ্ধ অবৈধ জাল, বিপুল পরিমাণ মাছ ও বিষাক্ত জেলীযুক্ত চিংড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৬৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জব্দকৃত মালামালের বিবরণ: নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহের অভিযানে মোট ৩,১৯,৪১,৬১০ মিটার নিষিদ্ধ অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া ৩,৬৬৪ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং ৩০ কেজি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর জেলীযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও মাছের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নদী থেকে ৪৮৪টি অবৈধ ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়েছে।
আইনি কার্যক্রম ও গ্রেফতার: সাত দিনব্যাপী এই অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১৬৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এই সময়ের মধ্যে মোট ৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৩৯টি মৎস্য আইন, ৫টি বেপরোয়া গতি আইন, ২টি হত্যা মামলা এবং মাদক, বালুমহাল ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১টি করে মামলা। এছাড়াও, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া চলাচলের দায়ে ৩৩টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে।
উদ্ধার ও বণ্টন: অভিযান চলাকালীন দেশের বিভিন্ন নৌপথ থেকে ৪৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। জব্দকৃত নিষিদ্ধ জাল ও জেলীযুক্ত চিংড়ি নিয়ম অনুযায়ী ধ্বংস করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত খাওয়ার উপযোগী মাছগুলো স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।
অভিযানের সফলতায় নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, "জাতীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং নৌপথের যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা কোনো আপস করছি না। মা মাছ ও জাটকা নিধন রোধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। যারা নিয়ম অমান্য করে অবৈধ জাল ব্যবহার করছেন বা বেপরোয়া গতিতে নৌযান চালিয়ে জানমালের ঝুঁকি তৈরি করছেন, তাদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। আমাদের এই অভিযান শুধু দাপ্তরিক দায়িত্ব নয়, বরং দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও শৃঙ্খলা রক্ষার একটি নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম; যা আগামীতেও আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।"
>
ঢাকা ২ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. | বৃহস্পতিবার
দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দেশব্যাপী ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনব্যাপী পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ৩ কোটি মিটারের বেশি নিষিদ্ধ অবৈধ জাল, বিপুল পরিমাণ মাছ ও বিষাক্ত জেলীযুক্ত চিংড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৬৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জব্দকৃত মালামালের বিবরণ: নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহের অভিযানে মোট ৩,১৯,৪১,৬১০ মিটার নিষিদ্ধ অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া ৩,৬৬৪ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং ৩০ কেজি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর জেলীযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও মাছের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নদী থেকে ৪৮৪টি অবৈধ ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়েছে।
আইনি কার্যক্রম ও গ্রেফতার: সাত দিনব্যাপী এই অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১৬৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এই সময়ের মধ্যে মোট ৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৩৯টি মৎস্য আইন, ৫টি বেপরোয়া গতি আইন, ২টি হত্যা মামলা এবং মাদক, বালুমহাল ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১টি করে মামলা। এছাড়াও, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া চলাচলের দায়ে ৩৩টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে।
উদ্ধার ও বণ্টন: অভিযান চলাকালীন দেশের বিভিন্ন নৌপথ থেকে ৪৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। জব্দকৃত নিষিদ্ধ জাল ও জেলীযুক্ত চিংড়ি নিয়ম অনুযায়ী ধ্বংস করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত খাওয়ার উপযোগী মাছগুলো স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।
অভিযানের সফলতায় নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, "জাতীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং নৌপথের যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা কোনো আপস করছি না। মা মাছ ও জাটকা নিধন রোধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। যারা নিয়ম অমান্য করে অবৈধ জাল ব্যবহার করছেন বা বেপরোয়া গতিতে নৌযান চালিয়ে জানমালের ঝুঁকি তৈরি করছেন, তাদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। আমাদের এই অভিযান শুধু দাপ্তরিক দায়িত্ব নয়, বরং দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও শৃঙ্খলা রক্ষার একটি নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম; যা আগামীতেও আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।"
>