৩১ মার্চ ২০২৬।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিজিবি, এনএসআই ও জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল ও পার্শ্ববর্তী ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে ৩৫,০০০ লিটার ফার্নেস অয়েল এবং ৯,০০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের বিবরণ
এনএসআই-এর বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ বিকেল ৪:৩০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বিজিবি ও এনএসআই-এর পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন।
তল্লাশিকালে গোদনাইল এলাকার একটি পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা আনুমানিক ৩৫,০০০ লিটার ফার্নেস অয়েল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ওই ডিপো থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি তেলবাহী গাড়ি থেকে অবৈধভাবে ব্যারেলে স্থানান্তরকালে আরও ৯,০০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়।
আটক ও আইনি পদক্ষেপ
ডিজেল জব্দের সময় সংশ্লিষ্ট লরির চালক বা পরিবহনকারী দাবি করেন যে, এই ৯,০০০ লিটার ডিজেল সিলেটের আকিজ গ্লাস ইন্ডাস্ট্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে এই দাবির সপক্ষে তিনি কোনো বৈধ কাগজপত্র বা চালান উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন। বৈধ নথিপত্র না থাকায় উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদানের আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
তেলের বর্তমান অবস্থা
উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য এবং নিরাপদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড-এর ডিপোতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরণের অবৈধ মজুদ ও পাচার রোধে তারা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। জনস্বার্থে এই ধরণের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
৩১ মার্চ ২০২৬।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিজিবি, এনএসআই ও জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল ও পার্শ্ববর্তী ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে ৩৫,০০০ লিটার ফার্নেস অয়েল এবং ৯,০০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের বিবরণ
এনএসআই-এর বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ বিকেল ৪:৩০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বিজিবি ও এনএসআই-এর পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন।
তল্লাশিকালে গোদনাইল এলাকার একটি পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা আনুমানিক ৩৫,০০০ লিটার ফার্নেস অয়েল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ওই ডিপো থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি তেলবাহী গাড়ি থেকে অবৈধভাবে ব্যারেলে স্থানান্তরকালে আরও ৯,০০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়।
আটক ও আইনি পদক্ষেপ
ডিজেল জব্দের সময় সংশ্লিষ্ট লরির চালক বা পরিবহনকারী দাবি করেন যে, এই ৯,০০০ লিটার ডিজেল সিলেটের আকিজ গ্লাস ইন্ডাস্ট্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে এই দাবির সপক্ষে তিনি কোনো বৈধ কাগজপত্র বা চালান উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন। বৈধ নথিপত্র না থাকায় উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদানের আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
তেলের বর্তমান অবস্থা
উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য এবং নিরাপদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড-এর ডিপোতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরণের অবৈধ মজুদ ও পাচার রোধে তারা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। জনস্বার্থে এই ধরণের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।