অনলাইন ডেস্ক।
নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে জয়লাভ করে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে নাটোরের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা শাহীন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
মাত্র ৪১ বছর বয়সে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি দেশের সর্বকনিষ্ঠ নারী সংসদ সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে এই আসন থেকে নির্বাচিত প্রথম নারী সংসদ সদস্য হিসেবেও নিজের নাম লিখিয়েছেন পুতুল, যার মাধ্যমে দীর্ঘ ১৮ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধারে সক্ষম হলো বিএনপি।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায় যে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল ১ লাখ ২ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল কালাম আজাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪৩১ ভোট। এই বিজয়ের পর পুতুল মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন এবং এই জয় লালপুর-বাগাতিপাড়ার সাধারণ মানুষের প্রতি উৎসর্গ করেন। সেই সঙ্গে নির্বাচনী মাঠে অক্লান্ত পরিশ্রম করা সকল নেতা-কর্মীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ঐতিহাসিকভাবে এই আসনটি বিএনপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুতুলের বাবা ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটল এখান থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়ে যায় এবং পরবর্তী বিভিন্ন মেয়াদে দীর্ঘ ১৮ বছর এখানে বিএনপির কোনো জনপ্রতিনিধি ছিল না। বাবার মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সেই হারানো আসনটি পুনর্দখলের মাধ্যমে পুতুল বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সফলভাবে এগিয়ে নিলেন।
অনলাইন ডেস্ক।
নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে জয়লাভ করে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে নাটোরের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা শাহীন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
মাত্র ৪১ বছর বয়সে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি দেশের সর্বকনিষ্ঠ নারী সংসদ সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে এই আসন থেকে নির্বাচিত প্রথম নারী সংসদ সদস্য হিসেবেও নিজের নাম লিখিয়েছেন পুতুল, যার মাধ্যমে দীর্ঘ ১৮ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধারে সক্ষম হলো বিএনপি।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায় যে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল ১ লাখ ২ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল কালাম আজাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪৩১ ভোট। এই বিজয়ের পর পুতুল মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন এবং এই জয় লালপুর-বাগাতিপাড়ার সাধারণ মানুষের প্রতি উৎসর্গ করেন। সেই সঙ্গে নির্বাচনী মাঠে অক্লান্ত পরিশ্রম করা সকল নেতা-কর্মীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ঐতিহাসিকভাবে এই আসনটি বিএনপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুতুলের বাবা ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটল এখান থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়ে যায় এবং পরবর্তী বিভিন্ন মেয়াদে দীর্ঘ ১৮ বছর এখানে বিএনপির কোনো জনপ্রতিনিধি ছিল না। বাবার মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সেই হারানো আসনটি পুনর্দখলের মাধ্যমে পুতুল বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সফলভাবে এগিয়ে নিলেন।