Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৮ নভেম্বর ২০২৫ · ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

ছাতকে আলোচিত জিয়া হত্যা নিহতের স্ত্রী গ্রেপ্তার

WP Import
ছাতকে আলোচিত জিয়া হত্যা নিহতের স্ত্রী গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের  ছাতক উপজেলার আলোচিত জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পরকীয়ার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৭শে অক্টোবর (সোমবার) সুনামগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে এক বিশেষ অভিযানে থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে নিহত জিয়াউরের ছোটভাই  মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়া গ্রেপ্তার করা হয়।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মধ্যরাতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সহায়তায় ছাতকের নিজ এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় নিহতের স্ত্রী রানু বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এতে মামলায় মোট দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

 

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ছাতকের সিংচাপইড় ইউনিয়নের মহদী গ্রামের প্রণব দাসের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় গহরপুর গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে জিয়াউর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহতের সৎভাই তাজিজুর রহমান অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

এরপর ১৩ অক্টোবর সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন নিহতের স্ত্রী রানু বেগম। তিনি মামলার বাদী তাজিজুর রহমানের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অভিযোগ করেন যে, তিনি সন্দেহভাজনদের সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখে তড়িঘড়ি করে মামলা দায়ের করেছেন। সে সময় রানু বেগম মামলার বাদী পরিবর্তন ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।

এছাড়া, ১৭ সেপ্টেম্বর রানু বেগম সুনামগঞ্জের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তিনি লন্ডনপ্রবাসী তাজ উদ্দিন, জয়নাল আবেদিন, রাজু মিয়া, গৌছ মিয়া এবং তাজিজুর রহমানকে তার স্বামীর হত্যায় জড়িত বলে অভিযুক্ত করেন। আদালত পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

 

পরে গত ১৩ অক্টোবর সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (ছাতক সার্কেল) মো. আব্দুল কাদির ও ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাদী-বিবাদীদের বক্তব্য নেন। তদন্তের অংশ হিসেবে প্রথমে নিহতের ভাই বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই রানু বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ছাতক থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, পরকীয়ার জেরে জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এমন তথ্য প্রাথমিক পাবে পাওয়া গেছে  । এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জের  ছাতক উপজেলার আলোচিত জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পরকীয়ার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৭শে অক্টোবর (সোমবার) সুনামগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে এক বিশেষ অভিযানে থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে নিহত জিয়াউরের ছোটভাই  মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়া গ্রেপ্তার করা হয়।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মধ্যরাতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সহায়তায় ছাতকের নিজ এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় নিহতের স্ত্রী রানু বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এতে মামলায় মোট দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

 

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ছাতকের সিংচাপইড় ইউনিয়নের মহদী গ্রামের প্রণব দাসের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় গহরপুর গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে জিয়াউর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহতের সৎভাই তাজিজুর রহমান অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

এরপর ১৩ অক্টোবর সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন নিহতের স্ত্রী রানু বেগম। তিনি মামলার বাদী তাজিজুর রহমানের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অভিযোগ করেন যে, তিনি সন্দেহভাজনদের সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখে তড়িঘড়ি করে মামলা দায়ের করেছেন। সে সময় রানু বেগম মামলার বাদী পরিবর্তন ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।

এছাড়া, ১৭ সেপ্টেম্বর রানু বেগম সুনামগঞ্জের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তিনি লন্ডনপ্রবাসী তাজ উদ্দিন, জয়নাল আবেদিন, রাজু মিয়া, গৌছ মিয়া এবং তাজিজুর রহমানকে তার স্বামীর হত্যায় জড়িত বলে অভিযুক্ত করেন। আদালত পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

 

পরে গত ১৩ অক্টোবর সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (ছাতক সার্কেল) মো. আব্দুল কাদির ও ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাদী-বিবাদীদের বক্তব্য নেন। তদন্তের অংশ হিসেবে প্রথমে নিহতের ভাই বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই রানু বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ছাতক থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, পরকীয়ার জেরে জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এমন তথ্য প্রাথমিক পাবে পাওয়া গেছে  । এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com