প্রকাশিত:
১২:০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
২১
পড়া হয়েছে
৫ ঘণ্টা পর কড়াইল বস্তির আগুন থামল , শতাধিক ঘর পুড়ে ছাই
অনলাইন ডেস্ক।। রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছাই হয়ে গেছে শতাধিক পরিবারের আশ্রয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। বস্তির ভেতরের ঘনবসতি আর সরু পথের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। পরপর ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। টানা চেষ্টা শেষে রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে ভয়াবহ পানি সংকট থাকায় দমকলকর্মীদের কাজ করতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। পানি সংগ্রহ ও সরবরাহে বিলম্ব হওয়ায় আগুন নেভানোর সময় বেড়ে যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগুনের তীব্রতায় বস্তির শতাধিক ঘর মুহূর্তেই ভস্মীভূত হয়েছে। যারা ঘর হারিয়েছেন, তাদের অনেকেই রাতে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। নিজ ঘর পুড়ে যাওয়ার হতাশা দিয়ে চোখ ভেজালেন ভুক্তভোগী লাভলী বেগম। তিনি বলেন, সাত বছর ধরে এই বস্তিতে থাকছি। কিস্তিতে কিনে গড়া সংসারের সব জিনিস পুড়ে গেল। এখন যাওয়ার কোথাও নেই। হাতে যা ছিল সব শেষ
৩৪
অনলাইন ডেস্ক।।
রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছাই হয়ে গেছে শতাধিক পরিবারের আশ্রয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। বস্তির ভেতরের ঘনবসতি আর সরু পথের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। পরপর ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। টানা চেষ্টা শেষে রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন।
তিনি জানান, ঘটনাস্থলে ভয়াবহ পানি সংকট থাকায় দমকলকর্মীদের কাজ করতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। পানি সংগ্রহ ও সরবরাহে বিলম্ব হওয়ায় আগুন নেভানোর সময় বেড়ে যায়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগুনের তীব্রতায় বস্তির শতাধিক ঘর মুহূর্তেই ভস্মীভূত হয়েছে। যারা ঘর হারিয়েছেন, তাদের অনেকেই রাতে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।
নিজ ঘর পুড়ে যাওয়ার হতাশা দিয়ে চোখ ভেজালেন ভুক্তভোগী লাভলী বেগম। তিনি বলেন, সাত বছর ধরে এই বস্তিতে থাকছি। কিস্তিতে কিনে গড়া সংসারের সব জিনিস পুড়ে গেল। এখন যাওয়ার কোথাও নেই। হাতে যা ছিল সব শেষ