প্রকাশিত:
১১:৫৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
৩০
পড়া হয়েছে
ভূমিকম্পে হেলে পড়া ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ চারতলা ভবনটি ভাঙা শুরু
ঢাকার ধামরাইয়ে ভূমিকম্পে হেলে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ চারতলা ভবনটি শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল থেকে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মালিকপক্ষ দ্রুত ভাঙার কাজ শুরু করেছে। ভবনটি ধানসিঁড়ি হাউজিং প্রকল্পে জিয়াউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন। ২০২৪ সালের মে মাসে আংশিক হেলে পড়া এই ভবন শুক্রবারের ভূমিকম্পে আরও বেশি হেলে পড়ে। স্থানীয়দের এবং মালিকপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ধানসিঁড়ি হাউজিং প্রকল্পের ভেতরে পাশাপাশি দুটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। দুই ভবনের মধ্যে ১০ ফুট জায়গায় করিডরের মতো চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়, যা পাশের ছয়তলা ভবনের ওপর হেলে ছিল। তৃতীয় তলার বারান্দার রেলিংয়ের ইটের গাঁথুনি ফেটে গিয়েছিল। ভবন মালিক জানালেন, তাদের এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার পরিকল্পনা আগেই ছিল। ভূমিকম্পের পর দ্রুত ভাঙার উদ্যোগ নেওয়া হয়। মালিকপক্ষ জানিয়েছে, সকাল থেকে কাজ চলছে এবং অর্ধেকের বেশি ভবন ইতিমধ্যে ভাঙা হয়েছে। ভবন ভাঙার সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামনুন আহমেদ অনীক জানিয়েছেন, ‘গতকাল ভূমিকম্পের পর আমরা সেখানে পরিদর্শন করি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের দিকে আমরা দায়িত্বশীল থাকব।’
৪৭
ঢাকার ধামরাইয়ে ভূমিকম্পে হেলে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ চারতলা ভবনটি শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল থেকে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মালিকপক্ষ দ্রুত ভাঙার কাজ শুরু করেছে।
ভবনটি ধানসিঁড়ি হাউজিং প্রকল্পে জিয়াউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন। ২০২৪ সালের মে মাসে আংশিক হেলে পড়া এই ভবন শুক্রবারের ভূমিকম্পে আরও বেশি হেলে পড়ে।
স্থানীয়দের এবং মালিকপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ধানসিঁড়ি হাউজিং প্রকল্পের ভেতরে পাশাপাশি দুটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। দুই ভবনের মধ্যে ১০ ফুট জায়গায় করিডরের মতো চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়, যা পাশের ছয়তলা ভবনের ওপর হেলে ছিল। তৃতীয় তলার বারান্দার রেলিংয়ের ইটের গাঁথুনি ফেটে গিয়েছিল।
ভবন মালিক জানালেন, তাদের এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার পরিকল্পনা আগেই ছিল। ভূমিকম্পের পর দ্রুত ভাঙার উদ্যোগ নেওয়া হয়। মালিকপক্ষ জানিয়েছে, সকাল থেকে কাজ চলছে এবং অর্ধেকের বেশি ভবন ইতিমধ্যে ভাঙা হয়েছে।
ভবন ভাঙার সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামনুন আহমেদ অনীক জানিয়েছেন, ‘গতকাল ভূমিকম্পের পর আমরা সেখানে পরিদর্শন করি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের দিকে আমরা দায়িত্বশীল থাকব।’